বাংলাদেশে উৎপন্ন অতি উৎকৃষ্ট জাতের আমের মধ্যে অন্যতম গোপালভোগ আম। এটি সবার আগে পরিপক্ব হয়। মে মাসের মাঝামাঝি থেকে পরিপক্বতা লাভ করতে শুরু করে, তৃতীয় সপ্তাহে বাজারে বেশি পরিমাণে আসতে থাকে এবং জুন মাসের মাঝামাঝি গেলে এ আম আর পাওয়া যায় না। আমটি পাকার পর খুব বেশি দিন বাজারে থাকে না।
এই আমের সংরক্ষণশীলতা অন্যান্য আমের চেয়ে তুলনামূলকভাবে অনেক কম। পাকা অবস্থায় সংগ্রহ করলে ৩-৪ দিনের বেশি ঘরে রাখা যায় না। ফলটির বোঁটা বেশ শক্ত যে কারণে ঝড় এলে খুব বেশি আম নষ্ট হয় না।
গোপালভোগ আমের জাতটি কবে, কোথায় উদ্ভাবিত হয়েছে, এ তথ্য এখনো অজানা। তবে ধারণা করা যেতে পারে, মুর্শিদাবাদে নবাবদের বিখ্যাত আমবাগান থেকেই হয়তো এই জাতের উদ্ভব ঘটেছে। আমটি মাঝারি আকৃতির এবং সামান্য লম্বা। অবতল বা সাইনাস অনেকটা বাঁকানো। শীর্ষদেশ তুলনামূলক সরু ও গোলাকার। সম্মুখের কাঁধ সামান্য স্ফীত। একনজর দেখলেই অন্যান্য জাতের সঙ্গে সহজেই গোপালভোগ আমের পার্থক্য করা যায়। পোক্ত হলে খোসায় সাদা সাদা ক্ষুদ্র ফোঁটা পরিলক্ষিত হয়।
গোপালভোগ আম আঁশবিহীন ও রসাল। ভেতরে শাঁসের রং গাঢ় কমলা। খোসা সামান্য মোটা। এটি অনেকটা কালচে সবুজ বর্ণের হয়ে থাকে। পাকলে হালকা হলুদাভ বর্ণ ধারণ করে। এই আমের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৩০০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে।
Enter your mobile number to pre-order this item. We will contact you shortly.
Reviews
There are no reviews yet.